ঠিক ১০০ বছর পরে এই পৃথিবীর কোন ছায়াতেই আমাদের হয়ত আর জায়গা হবে না। হয়ত তেমন কোন স্মৃতিতেও আমাদের কেউ মনে রাখবে না। কোন ধূলিকণাও আমদের পদচিহ্ন বয়ে বেড়াবে না। মানুষ মানুষকে বেশিদিন মনে রাখতে পারে না ,অবশ্য না প্যারাটাই স্বাভাবিক। এমনকি মানুষ একজনকে অনন্তকাল ধরে ভালোও বাসতে পারে না। সময়ের স্রোতে সব বিবর্ন হয়ে যায়। একদিন সব স্বাভাবিক হয়ে যায়।
শুধু সময়ের ক্ষতগুলো রয়ে যায় – কোন শব্দ তরঙ্গ হয়ে মহাকাশে ঘুড়ে বেড়ায়। নক্ষত্রের দূরে সরে যাওয়ার মত করেই তা ক্রমাগত দূরে সরে যায়।
কিন্তু মানুষ আসলে তার অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রাখতে চায়, হোক সেটা যে কোন নামেই। মৃত্যুর খুব কাছে গিয়েই হয়ত সে চায় সবাই তাকে মনে রাখুক, কোন এক গল্পের ফাঁকে তার নামটাও উচ্চারিত হোক। কেন চায় তা হয়ত সে নিজেও জানে না , কিন্তু চায়।
মানুষ আসলে কোনভাবেই বাঁচতে পারেনা হোক সেটা নামে বা কাজের মাঝে। মানুষ শুধুই বর্তমানে বাঁচে,বর্তমানেই হাঁসি কান্নায় একাকার হয়।
পৃথিবীতে ভবিষ্যৎ বলেই কিছুই নাই , মরীচিকা ছাড়া।